মিরপুরে এখন রেস্টুরেন্টের অভাব নেই, বার্গার কিং, সবাড়ো, পিজ্জা ইন, কেএফসি থেকে শুরু বড় বড় যত ফুড চেইন আছে সবাই এখন মিরপুরে। কিন্তু আজকের লেখাটা কোন রেস্টুরেন্টকে নিয়ে নয়, যারা ভালোবাসে স্ট্রিট ফুড, তাদের জন্য আজকের লেখা-

১। কবির মামার মুড়ি, মিরপুর সাড়ে ১১

ঝালমুড়ির আবার কি স্পেশাল, এতো রোজ খাই- যারা এমন চিন্তা করছেন তাদের জন্য কবির মামার স্পেশাল মুড়ি। মিরপুর সাড়ে ১১ তে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ছোট্ট কার্টে বসে কবির মামার মুড়ির আসর। হাতে বানানো এই স্পেশাল মুড়ির স্বাদ এমনই যে ধানমন্ডি, মোহাম্মাদপুর থেকেও ফুডিরা আসেন মামার মাখানো মুড়ির স্বাদ পেতে। মাত্র ১০টাকা থেকে দাম শুরু এই মুড়ির মূল স্বাদ এর উপাদানগুলোতে। চাইলে মুরগীর মাংস বা গরুর কলিজা দিয়ে বানানো মুড়িও খেতে পারেন, দাম পড়বে ৪০/৫০ টাকা।

২। কোয়েল পাখির ডিম ও মাংস বার্গার

বার্গার তো আমরা সবাই কমবেশি খাচ্ছি বড় বড় রেস্টুরেন্টগুলোতে। কিন্তু একদমই ভিন্ন স্বাদের বার্গার খেতে আপনাকে আসতে হবে মিরপুর পূরবীতে HSBC Bank এর পাশের গলিতে। কোয়েল পাখির ডিম ও মাংস দিয়ে বানানো এই বার্গার একবার খেলে স্বাদ মুখে লেগে থাকে অনেকদিন। এছাড়া মুরগীর ডিমের বার্গারও পাওয়া যায় এখানে। দাম ৩০টাকা থেকে শুরু। বার্গার ছাড়াও স্যুপ, কোয়েল পাখির রোস্টও পাওয়া যায়।

৩। স্পেশাল ফুচকা

মিরপুর সাড়ে এগারোতে সেতারা কনভেনশন হলের ঠিক বিপরীতে বসে ছোট্ট কার্টে এই ফুচকার দোকান। ঝাল, ডিম ও ফুচকায় ভরপুর এই চটপটি খেতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভীড় লেগেই থাকে। এছাড়াও ফুচকা প্রেমীদের জন্য স্পেশাল টক দিয়ে বানানো ফুচকার স্বাদ মুখে লেগে থাকবেই। ফুচকার বা চটপটির দাম শুরু হয় ২৫ টাকা থেকে।

৪। ৬০ টাকার বার্গার

এত্তো কমে বার্গার? কিভাবে সম্ভব? ভালো হবে তো?

এতোকিছু চিন্তা না করে চলে আসুন মিরপুর ১১ বাসস্ট্যান্ড এ বাটার শোরুমের পিছনে। Hungry Eyes নামের ছোট এই কার্টে আপনি পাবেন মাংস ও মেয়নিজ দিয়ে ভরা রসালো এক বার্গার। এই বার্গারে ঘরে বানানো স্পেশাল মায়ো ব্যবহার করা হয়, যার স্বাদই বার্গারকে আরো বেশি লোভনীয় করে তোলে। আর বার্গারের সাইজ? এই বার্গার একটা খেলে আপনার আরেকটা খেতে ইচ্ছে করবেই, তাই সাইজ নিয়ে আর কথা নাইবা বলি। দাম মাত্র ৬০ টাকা। ওদের কোল্ড কফিটাও ট্রাই করে দেখতে পারেন। আর চাইলে পার্সেল নিয়ে বাসায় নিয়েও যেতে পারেন।

SHARE

LEAVE A REPLY